এম জামান
বরিশালে বিএনপির প্রতিদ্বন্দী হয়ে উঠেছে বিএনপি’র বিদ্রোহী প্রার্থীরাই। শত চাপের মুখেও নির্বাচন থেকে সরে না যাওয়ায় বরিশাল, পটুয়াখালীসহ বিভিন্ন জায়গায় দলটি মারাত্মক সমস্যায় পড়েছে। এদিকে কোথাও হাতপাখা, কোথাও জামায়াত অথবা এ জোটের প্রার্থী কিংবা জাতীয় পার্টি এখন বিএনপি’র মাথাব্যথার অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সব মিলিয়ে বরিশালের প্রায় প্রতিটি আসনেই ভোটের হিসেব মেলানো কঠিন হয়ে পড়েছে বিএনপি’র জন্যে। এদিকে, নির্বাচনের বাইরে থেকেও ভোটের মাঠে ‘গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর’ হয়ে উঠতে পারে আওয়ামী লীগ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারনা, আওয়ামী লীগের ভোট পেতে সবাই নানানভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে বিএনপি এক্ষেত্রে এগিয়ে রয়েছে। ৫ আগস্ট পরবর্তী বিভিন্ন ইস্যুতে আওয়ামী লীগের প্রতি নমনীয় থাকায় তাদের প্রতি একটা সফট কর্নার তৈরী হয়েছে আওয়ামী সমর্থকদের মনে। বিভিন্ন হটকারী সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সরকারের বাঁধা হয়ে দাড়িয়ে যে অবস্থান বিএনপি তৈরী করেছে এর সুফল বিএনপি নির্বাচনে পাবে বলেই রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অভিমত। এদিকে, জোটের প্রার্থীদের নিয়ে অন্তত দুইটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বীদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে জামায়াত। পটুয়াখালি ও পিরোজপুরে ড. মাসুদ ও মাসুদ সাঈদী মাঠে শক্ত অবস্থান গড়ে তুলতে মরিয়া হয়ে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। জাতীয় পার্টির প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া টিপু ও ব্যারিস্টার ফুয়াদও সামনের সারিতে চলে এসেছেন। বিএনপিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এসব প্রার্থী ১২ তারিখ বিজয় মালা পরে ঘরে ফিরতে চান। এ বিষয়ে বরিশাল-৫ আসনের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থীর মিডিয়া সেলের প্রধান জানান, আমাদের বিজয় অর্জনের লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। ১২ তারিখ মানুষ আমাদের পক্ষেই রায় দেবে। বাবুগঞ্জ-মুলাদি আসনের বিএনপি প্রার্থী অ্যাড. জয়নুল আবেদীন তার আসনের সাধারন জনগণের সমর্থন পাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, বিএনপি গণ মানুষের দল। মানুষের আস্থা ও সমর্থনেই বিএনপি এতদূর এসেছে। পিরোজপুরে ভোটের প্রচারণাকালীন সময়ে মরহুম আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর ছেলে মাসুদ সাঈদী বলেন, এ আসনে মানুষ আমার বাবাকে যেভাবে তাদের সকল প্রয়োজনে কাছে পেয়েছিলো তেমনি আমাকেও তারা ভোট দিয়ে তাদের পাশে থাকার সুযোগ দেবে।