কীর্তনখোলা রিপোর্ট

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল বিভাগে নারী প্রার্থীর সংখ্যা মাত্র দুইজন। তবে সংখ্যায় কম হলেও তারা পুরুষ প্রার্থীদের সঙ্গে সমান তালে প্রচারণা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা মনে করছেন, নারী প্রার্থীর এই স্বল্পতা নারী উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি বড় প্রতিবন্ধকতা।

দেশজুড়ে নির্বাচনী প্রচারণা চললেও বরিশাল বিভাগের নারী প্রার্থীরাও ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন। বরিশাল বিভাগের ২১টি আসনে মোট প্রার্থী ১২৪ জন। এর মধ্যে নারী প্রার্থী মাত্র দুইজন—বিএনপির ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো (ঝালকাঠি-২) এবং বাসদের ডা. মনীষা চক্রবর্তী (বরিশাল-৫)।

বরিশাল-৫ আসনের বাসদ প্রার্থী ডা. মনীষা চক্রবর্তী বলেন, তারা গভীর রাতেও ভোটারদের বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন এবং সাধারণ মানুষ তাদের এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিরাপদে পৌঁছে দিচ্ছেন।ঝালকাঠি-২ আসনের ধানের শীষ প্রার্থী ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো নেতাকর্মীদের নিয়ে স্লোগান ও মিছিলের মধ্য দিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন। তিনি বলেন, শিল্পকারখানা স্থাপন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নদীভাঙন রোধে কাজ করবেন।

সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা মনে করেন, রাজনৈতিক দলগুলো নারী উন্নয়নের কথা বললেও বাস্তবে কম মনোনয়ন দেয়। বরিশাল জেলা সুজনের সম্পাদক রফিকুল আলম বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো কেন নারী প্রার্থী দিচ্ছে না—যে কারণই হোক, বিষয়টি দুঃখজনক। এ বিষয়ে বরিশাল আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, নারী প্রার্থীরা নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে প্রচারণা চালাচ্ছেন এবং নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করছেন।

বিজ্ঞাপন
Advertisement